বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

হবিগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়

 

 
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট-এর এই আঞ্চলিক কার্যালয়টি হবিগঞ্জ জেলার বাণিয়াচং উপজেলার অন্তর্গত পুকরা ইউনিয়নের নাগুড়া গ্রামে পূরাতন মেঘনা মোহনা প্লাবনভূমি অঞ্চলে (কৃষি পরিবেশ অঞ্চল-১৯) অবস্হিত। ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়, হবিগঞ্জ ৮ মার্চ ১৯৩৪ ইং সালে জলি আমন ধান গবেষণা স্টেশন হিসেবে তৎকালিন আসাম সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ১৯৩৪ থেকে ১৯৪০ সাল পর্যন্ত এটি ছিল ICAR (Imperial Council of Agricultural Research) এর সাহায্যপুষ্ট Co-ordinated Scheme of Rice Research, যা পরে আসাম সরকারের তদারকিতে একটি স্থায়ী ইন্সটিটিউটের মর্যাদা পায়। ভারতবর্ষ বিভক্ত হওয়ার পর পূর্ব পাকিস্তানের জলি আমন ধান ও বোরো ধান গবেষণা স্টেশন হিসেবে এটির নতুন নামকরণ করা হয়। ১৯৭০ সালে এটি পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের আঞ্চলিক কার্যালয় হিসেবে পরিচিত হয় এবং বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিটের আঞ্চলিক কার্যালয় হিসেবে এর পুন:নামকরণ করা হয়।  
 
হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার এবং সিলেট জেলায় ধান উৎপাদনের সমস্যা ও সম্ভাবনা, এ অঞ্চলের উপযোগী ধানের জাত ও উৎপাদন প্রযুক্তি ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়, হবিগঞ্জ-এর গবেষণা কর্মকান্ডের প্রধান বিষয়। এ অঞ্চলের মাটি এটেল প্রকৃতির, অম্লীয় (পিএইচ ৪.৫-৫.৫) ও এতে জৈব পদার্থের পরিমাণ শতকরা ১-৩.৯ ভাগ। এই অঞ্চলে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত হয় ২৩৩০ মিমি, তাপমাত্রা সর্বোচ্চ (৩৯.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস) হয় মে মাসে এবং সর্বনিম্ন (১০ ডিগ্রী সেলসিয়াস) হয় জানুয়ারি মাসে। জুলাই-আগস্ট মাসে বন্যার গড় পানির উচ্চতা ২৫০-৩০০ সেমি হয়। আকস্মিক বন্যা সাধারণত এপ্রিল মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে মে মাসে হয়ে থাকে এবং হাওর এলাকায় তা সর্বোচ্চ ঝুঁকি হিসাবে দেখা দেয়। ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়, হবিগঞ্জ-এর গবেষণা কর্মকাণ্ড মূলত জলি আমন ও বোরো ধান কেন্দ্রিক। পাশাপাশি হাওর অঞ্চলের ধানভিত্তিক শস্যক্রমে বিভিন্ন শস্যের লাভজনক  উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় গবেষণা ও উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনার কাজও এই আঞ্চলিক কার্যালয়ে হয়ে থাকে। পৌনঃপুনিক বাছাইপূর্বক জাত বিশুদ্ধকরণ এই আঞ্চলিক কার্যালয়ের আরও একটি প্রধান কাজ। এছাড়াঅনুকূল পরিবেশ উপযোগী ধানের জাত উদ্ভাবনের পাশাপাশি জাত পরীক্ষণ ও চাষাবাদের উপযোগী আধুনিক ধানের জাত ও তার চাষাবাদ সংক্রান্ত গবেষণা পরিচালনা ও লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবন, উৎপাদন প্রযুক্তির স্থানীয় অভিযোজন, বাস্তবায়নসহ কারিগরি ও বিবিধ অন্যান্য সহায়তাও এই আঞ্চলিক কার্যালয় প্রদান করে থাকে। বর্তমানে এই কার্যালয়ে একজন ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তার নেতৃত্বে মোট ৪ জন বিজ্ঞানী এবং ১৫ জন সহযোগী কর্মী কর্মরত রয়েছেন।
 
 

                                                                                                                                                                                     

 

 

 

 

 

                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                         হবিগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয় প্রধান 

 

 
 


Share with :

Facebook Facebook