বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৩rd জুন ২০২০

উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব বিভাগের সাফল্য

উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব বিভাগের সাফল্য

উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব বিভাগের সার্বিক অর্জনসমূহকে ৪টি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়েছে

(১) অগ্রগামী কৌলিক সারির শারীরতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যায়নের মাধ্যমে পীড়ন সহনশীল জাত উন্নয়নে সহায়তা

(২)ভবিষ্যতে জাত উন্নয়নের নিমিত্তে নতুন ডোনার প্যারেন্ট সনাক্তকরণ এবং পীড়ন সহনশীলতার কৌশল জানার জন্য ধানের জার্মপ্লাজমসমূহের বৈশিষ্ট্যায়ন

(৩) কৃষকদের জন্য ফসল ব্যবস্থাপনা  সমপর্কিত প্রযুক্তি উদ্ভাবন

(৪) ধানের শারীর তাত্ত্বিক তথ্য বা জ্ঞান উদ্ভাবন করা।

 

 ()    অগ্রগামি কৌলিক সারির শারীরতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যায়নের মাধ্যমে পীড়ন সহনশীল জাত উন্নয়নে সহায়তা

 (ক) অনুমোদিত অবমুক্ত পীড়ন সহনশীল জাতসমূহঃ-

অগ্রগামী কৌলিক সারি সনাক্তকরণ

পীড়ন পরিবেশ

পীড়ন মাত্রা

বৈশিষ্ট্যায়নের বছর

অবমুক্ত জাত সমূহের নাম

অবমুক্তির বছর

মন্তব্য

বিআর৬৮৪-৩বি-১২

খরা

৩সপ্তাহ

২০১৬-১৭

ব্রিধান৮৩

২০১৭

চারা অবস্থায় খরা সহনশীল। 

আইআর ৭৭০৯২-২ আর-বি১০

লবণাক্ততা ও জলমগ্নতা  

৬-৯ ডিএস/ মিটার লবণাক্ততা ও ১২ দিন ৭০  সেমি জলমগ্নতা

২০১৫-১৬

ব্রি ধান৭২

২০১৬

জোয়ার ভাটা অঞ্চলের জন্য উপযোগী

আইআর৭৮৭৬১-বি-এসএটিবি১-২৮-৩-২৪

লবণাক্ততা

৮ডিএস/ মিটার

২০১৪-১৫

ব্রিধান৭৩

২০১৫

আমন মৌসুমে সম্পূর্ন জীবনকাল  ৮ডিএস/ মিটার মাত্রার লবণাক্ততা সহনশীল।

আই আর৮২৫৮৯-বি-বি-৮৪-৩

খরা

৩সপ্তাহ

২০১৪-১৫

ব্রি ধান৭১

২০১৫

প্রজনন পর্যায়ে খরা সহনশীল।

বিআর৭১০০-৬-৬

লবণাক্ততা

৮ডিএস/ মিটার

২০১৩-১৪

ব্রিধান৬৭

২০১৪

বেরো মৌসুমে প্রজনন পর্যায়ে৮ডিএস/ মিটার মাত্রার লবণাক্ততা সহনশীল। 

আইআর৮২৬৩৫-বি-বি-৭৫-২

খরা

৩সপ্তাহ

২০১২-১৩

ব্রিধান৬৬

২০১৪

প্রজনন পর্যায়ে ৩সপ্তাহ পর্যন্ত খরা সহনশীল। 

আইআর৭৪৩৭১-৭০-১-১

খরা

১৪-২১দিন

২০০৯-১০

ব্রিধান৫৬

২০১১

প্রজনন পর্যায়ে ১৪-২১ দিন পর্যন্ত খরা সহনশীল।    

বিআর৭৮৭৩-৫(NIL)-৫১-এইচআর৬

খরা

১০-১৪দিন

২০০৯-১০

ব্রিধান৫৭

২০১১

স্বল্প জীবনকালের জন্য খরা পরিহার করতে পারে। 

বিআর৫৭৭৮-১৫৬-১-৩-এইচআর১৪

লবণাক্ততা

৮-১০ ডিএস/ মিটার 

২০০৭-০৮

ব্রিধান৫৩

২০১০

জীবনকালের শেষ পর্যায়ে লবণাক্ততা সহনশীল।     

বিআর৫৯৯৯-৮২-৩-২- এইচআর১

লবণাক্ততা

৮-১০ ডিএস/ মিটার

২০০৭-০৮

ব্রিধান৫৪

২০১০

জীবনকালের শেষ পর্যায়ে লবণাক্ততা সহনশীল।

আইআর৬৩৩০৭-৪বি-৪-৩

লবণাক্ততা

৬ডিএস/ মিটারসম্পুর্নজীবনকাল

২০০৫-০৬

ব্রিধান৪৭

২০০৭

দক্ষিনাঞ্চলে বিশেষকরে বরিশালে এটি বেশ জনপ্রিয় ধানের জাত।  

বিআর৫৩৩১-৯৩-২-৮-৩

লবণাক্ততা

৮-১০ডিএস/ মিটার

২০০৩

ব্রিধান৪০

২০০৩

আমন মৌসুমে জীবনকালের শেষ পর্যায়ে লবণাক্ততা সহনশীল।

 

() প্রস্তাবিত নতুন জাত উদ্ভাবনে বৈশিষ্ট্যায়িত কৌলিক সারিসমূহঃ  

 কৌলিকসারিএবংজার্মপ্লাজমসনাক্তকরণ

পীড়ন পরিবেশ

পীড়ন মাত্রা

বৈশিষ্ট্যায়নের বছর

অবমুক্ত জাত সমূহের নাম

অবমুক্তির বছর

মন্তব্য

আইআর৭৮৭৬১-বি-এসএটিবি১-২৮-৩-২৬
আইআর৭৮৭৬১-বি-এসএটিবি১-২৮-৬এবং 
আইআর৭৩০৫৫-৮-১-১-৩

লবণাক্ততা

৯ ডিএস/ মিটার

২০১৪-১৫

প্রস্তাবিত জাত    

আসন্ন

আমন মৌসুমে সম্পূর্ন জীবনকাল ৯ডিএস/মিটার মাত্রার লবণাক্ততা সহনশীল

আইআর৫৯৪১৮-৭বি-২১-৩

লবণাক্ততা

৮ ডিএস/ মিটার

২০১৩-১৪

প্রস্তাবিতজাত

আসন্ন

বোরো মৌসুমে প্রজনন পর্যায়ে ৮ডিএস/মিটার মাত্রার লবণাক্ততা সহনশীল।

আইআর৭৭৪৯-৩১-২-১-৩-১

ঠান্ডা

চারা অবস্থায় ১০-১৩ ডিগ্রী সে.  এবং প্রজনন পর্যায়ে ১৫ ডিগ্রী সে. 

২০১২-১৪

প্রস্তাবিতজাত

আসন্ন

দক্ষিনাঞ্চলের জন্য ঠান্ডা সহনশীল

আইআর২২৬৬-৪২-৬-২

ঠান্ডা

চারা অবস্থায়                    
                                                

২০১২-১৪

প্রস্তাবিতজাত

আসন্ন

দক্ষিনাঞ্চলের জন্য ঠান্ডা সহনশীল

টিপি১৬১৯৯

ঠান্ডা

এই সারিটি আঞ্চলিক ফলন পরীক্ষা পর্যায়েআছে।

টিপি৭৫৯৪

ঠান্ডা

এই সারিটি আঞ্চলিক ফলন পরীক্ষা পর্যায়েআছে।

উচ্চ তাপমাত্রা সহনশীল জাত উদ্ভাবনের জন্য ব্রিধান২৮ ও ব্রিধান২৯এ দুইটি স্পাইকলেট ফারটিলিটি QTL (qSF 4.1 এবং qSF 4.2) ইন্ট্রোগ্রেস  করা হয়েছে

তাপ

এই সারিগুলো বর্তমানে Marker Assisted Selection এর মাধ্যমে BC3 পর্যায়ে আছে।      

  () ভবিষ্যতে জাত উন্নয়নের নিমিত্তে নতুন ডোনার প্যারেন্ট সনাক্তকরন এবং পীড়ন সহনশীলতার কৌশল জানার জন্য ধানের জার্মপ্লাজমসমূহের বৈশিষ্ট্যায়ন : ইতোমধ্যে প্রায় ১০০০ জার্মপ্লাজমের বেশি বিভিন্ন বিরূপ পরিবেশে যাচাই করা হয়েছে এবং নিম্নেউল্লেখিত  জার্মপ্লাজমসমূহ ডোনারপ্যারেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।                                                                                                                                                                                                               

এক্সেশন

পীড়ন পরিবেশ

পীড়নমাত্রা

মন্তব্য

ব্রি  এক্সেশন নাম্বার -১৮৩৮

জলমগ্নতা

১৪দিন

দুই সপ্তাহ পর্যন্ত পানিতে সম্পূর্ন নিমজ্জিত অবস্থায় থাকতে পারে।     

ব্রিএক্সেশন নাম্বার - ৪০৯৬

জলমগ্নতা

১৪দিন

দুই সপ্তাহ পর্যন্ত পানিতে সম্পূর্ন নিমজ্জিত অবস্থায় থাকতে পারে।

ব্রি এক্সেশন নাম্বার-  ৯৭, ১০২ এবং১৩৩

তাপ

ফুল ফোটার সময় ৭দিন পর্যন্ত ৩৫-৩৮সেলসিয়াস 

ফুল  আসা পর্যায়ে উচ্চ তাপমাত্রা  সহনশীল।

কালোজমা

জলমগ্নতা

১৬দিন

ষোল দিন পর্যন্ত পানিতে সম্পূর্ন নিমজ্জিত অবস্থায় থাকতে পারে।

ডিজিআই-৩৪৯

জলমগ্নতা

১৬দিন

ষোল দিন পর্যন্ত পানিতে সম্পূর্ন নিমজ্জিত অবস্থায় থাকতে পারে।

ডিজিআই-৩৪৯

জলমগ্নতা

১৬দিন

ষোল দিন পর্যন্ত পানিতে সম্পূর্ন নিমজ্জিত অবস্থায় থাকতে পারে।

ভূটানী ধান

ঠান্ডা

সমগ্র জীবনকালে ঠান্ডা সহিঞ্চু জাত হিসাবে চিহ্ণিত করা হয়েছে।  

ঠান্ডা সহিঞ্চু জাত উদ্ভাবনে ডোনার প্যারেন্ট হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

মিনআশাহী

ঠান্ডা

সমগ্র জীবনকালে ঠান্ডা সহিঞ্চু জাত হিসাবে চিহ্ণিত করা হয়েছে।  

ঠান্ডা সহিঞ্চু জাত উদ্ভাবনে ডোনার প্যারেন্ট হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

() কৃষকদেরজন্যফসলব্যবস্থাপনা  সমপর্কিতপ্রযুক্তিউদ্ভাবন 

প্রযুক্তিরনাম

বিবরণ

মন্তব্য

বোরো মৌসুমে তীব্র শীতে সুস্থ সবল চারা উৎপাদন কৌশল

( ১)বোরো ধানে চারা উৎপাদনের সময় শৈত্য প্রবাহ হলে অর্থ্যাৎ তাপমাত্রা ১০ডিগ্রির নীচে চলে গেলে বীজতলা সাদা স্বচ্ছ পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। দিনের বেলায় সূর্য উঠার ৪-৬ ঘন্টা পর পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে এবং সূর্য অস্ত যাবার পূর্বেই পলিথিন সরিয়ে রাখতে হবে। 
(২)  যদি পলিথিন দিয়ে ঢাকা সম্ভব না হয় সেক্ষেত্রে বীজতলায় ২-৪ সেঃমিঃ দাড়ানো পানি রাখলেও চারাকে অতিরিক্ত ঠান্ডার ক্ষতি থেকে রক্ষা করা সম্ভব। 
(৩)  বোরো ধানের চারা রোপনের সময় শৈত্য প্রবাহ চলতে থাকলে কয়েক দিন দেরীতে অর্থ্যাৎ শৈত্য প্রবাহের শেষে চারা রোপণ করলে মূল জমিতে চারার মৃত্যু কমানো সম্ভব।

এই প্রযুক্তি মূলতঃ ভেজা বীজতলার জন্য এবং যেসব এলাকায় বোরো মৌসুমে  ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত তীব্র ঠান্ডা থাকে সেসব এলাকার জন্য প্রযোজ্য।

হাওড় অঞ্চলে বোরো ধানের চিটা সমস্যা মোকাবেলার কৌশল

বোরো মৌসুমে হাওড় অঞ্চলে স্বল্প জীবন কালের জাত সমূহকে ১৫নভেম্বর বা তারও পরে বপন ও ৪০-৪৫ দিন বয়সের চারা  রোপণের মাধ্যমে কাইচ থোড় ও থোড় অবস্থায়  নিম্ন তাপমাত্রা জনিত ক্ষতি এড়ানো যায় এবং চিটা সমস্যা মোকাবেলা করা যায়।

হাওড়এলাকারজন্য

হাওড় অঞ্চলে বোরো ধান চাষে পাহাড়ি ঢল এড়ানো/ মোকাবেলার কৌশল

বোরো মৌসুমে হাওড় অঞ্চলে দীর্ঘ জীবনকালের জাতসমূহকে  নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে বপন ও ৪০-৪৫ দিন বয়সে রোপণের মাধ্যমে  কর্তনকালীন সময়ে পাহাড়ি ঢল এড়ানো যায়।

হাওড়এলাকারজন্য

বোরো ধান চাষে উচ্চ তাপমাত্রাজনিত চিটা সমস্যা মোকাবেলার কৌশল

    বোরো মৌসুমে দীর্ঘ জীবনকালের জাতসমূহকে  নভেম্বর মাসের প্রথম-দ্বিতীয় সপ্তাহে বপন ও ৪০-৪৫ দিন বয়সে রোপণের মাধ্যমে ফুল-ফোটাকালীন সময়ে উচ্চ তাপমাত্রাজনিত চিটা সমস্যা এড়ানো যায়। তবে ধানের ফুল-ফোটাকালীন সময়ে উচ্চ তাপমাত্রা বিরাজ করলে জমিতে দাড়ানো পানি ধরে রাখার মাধ্যমে অথবা পানি স্প্রে করে উচ্চ তাপমাত্রা জনিত চিটা সমস্যা মোকাবেলা করা যায়।           

এপ্রিলের প্রথম ও দ্বিতীয় সপ্তাহে উচ্চ তাপমাত্রায় ঝুকিপূর্ন অঞ্চলের জন্য            

বন্যা পরবর্তী রোপা আমন ধানের সার ব্যবস্থাপনা

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত রোপা আমন ধানের জমিতে বন্যার পানি নেমে যাওয়ার দুই সপ্তাহ পর ইউরিয়া সারের ২য় কিস্তি ও পটাশ সারের সম্পূর্ন পরিমাণ প্রয়োগে ক্ষতিগ্রস্ত চারার দ্রুত পূনর্বাসন ও কুশির বৃদ্ধি ভালো হয়।

আকস্মিকবন্যাপ্রবনএলাকারজন্য

ব্রিধান৩২ এর হেলে পড়া প্রতিরোধ কৌশল

ব্রিধান৩২ এর হেলে পড়া প্রবণতা থাকায় পরিমিত পরিমানে সার প্রয়োগের পাশাপাশি কাইচথোর আসার সময় Multi-effect-Triazole (MET) ৩০০মিলিগ্রাম/লিঃ স্প্রে করে ব্রিধান৩২ এর হেলে পড়া প্রবণতা প্রতিরোধ করা যায়।          

 

ড্রাম সিডার দিয়ে সরাসরি বীজ বপনের মাধ্যমে ধানের জীবনকাল কমে ও ফলনবাড়ে

ড্রাম সিডার দিয়ে সরাসরি বীজ বপনের মাধ্যমে ধান চাষ করলে রোপণ পদ্ধতির তুলনায় প্রায় ৭% ফলন বৃদ্ধি পায় এবং একই সাথে ধানের জীবনকাল প্রায় ১০ দিন কমে যায়।

ধান-এজোলা দ্বৈত চাষ

ধান-এজোলা (Azolla) দ্বৈত ভাবে চাষ (dual culture) করলে ধানের ফলন বৃদ্ধি পায়।

 () ধানের শারীরতাত্ত্বিক তথ্য বা জ্ঞান উদ্ভাবন করা 

  বিষয়

জ্ঞানঅথবাতথ্যের  উদ্ভাবন

বাংলাদেশের  লবণাক্ত সহিষ্ণু বৈলাম ধানের চারা ও প্রজনন পর্যায়ের  লবণসহিষ্ণু জিনগুচ্ছের মানচিত্র তৈরী (QTL Mapping)

লবণাক্ত  সহিষ্ণু বাংলাদেশী স্থানীয় জাত বৈলাম  ধানের  চারা ও প্রজনন পর্যায়ের  লবণসহিষ্ণু QTL চিহ্নিত করতে উক্ত জাতের জেনোটিকম্যাপ তৈরী করা হয়েছে। চারা অবস্থায় সম্ভাব্য ৬টি QTL এবং প্রজনন পর্যায়ে ৬টি  QTL Cluster   বিভিন্ন লিঙ্কেজ গ্রুপে (ক্রোমোজোম) সনাক্ত করা হয়েছে।    

বাংলাদেশের  লবণাক্তসহিষ্ণুহরকুচধানেরচারাওপ্রজননপর্যায়ের  লবণসহিষ্ণুজিনগুচ্ছেরমানচিত্রতৈরী (QTL Mapping)

লবণাক্তসহিষ্ণু বাংলাদেশী স্থানীয় জাত হরকুচ  এর শারীরতাত্তিক কৌশল বের করা  হয়েছে এবং চারা পর্যায়ে  লবণ সহিষ্ণু জিনগুচ্ছ (QTL) চিহ্নিত করতে উক্ত জাতের জেনোটিকম্যাপ তৈরী করা হয়েছে। হরকুচে টিস্যু টলারেন্স এবং উচ্চ পটাশিয়াম আয়ন গ্রহণ এই দুইটি শারীরতাত্ত্বিক কৌশল  রয়েছে। হরকুচে চিহ্নিত ২৪টি জিনগুচ্ছ (QTL) সনাক্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে

মাত্র ৪টি জিনগুচ্ছ (QTL)  (ক্রোমোজোম -৮, ১১ এবং ১২ তে অবস্থিত)  চারার কান্ডে K+/Na+  এর অনুপাত নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে লবণ সহিষ্ণুতায় ভূমিকা রাখে      

 আলোক সংবেদনশীলতা

ব্রিধান৫৪ আলোক সংবেদনশীল জাত এবং আলোক সংবেদনীলতা প্রায় নাইজারশাইলের মত।    

ঠান্ডা জনিত ক্ষতি পরিহার

ধানের প্রজনন পর্যায়ে ঠান্ডার ক্ষতি এড়ানোর জন্য অক্টোবর মাসে বীজ বপন করা যাবে না। ব্রি ধান২৮ এর মত স্বল্প জীবনকালের জাতের  ক্ষেত্রে ২০ নভেম্বরের পর পরই এবং ব্রি ধান২৯ এর মত লম্বা জীবনকালের জাতের  ক্ষেত্রে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বীজ বপন করে ৪০-৪৫ দিনের ধানের চারা রোপন করতে হবে।    

বপনের  সময় সমপর্কিত 

অক্টোবর মাসে বীজ বপন থেকে নভেম্বর মাসে বীজ বপন করলে ধানের ভাল ফলন পাওয়া যায়। নভেম্বর মাসে বীজ বপন করলে স্বল্প জীবন কালের ধান ব্রিধান২৮ এর সর্বোচ্চ ৫০দিনের ও লম্বা জীবন কালের ধান ব্রিধান-২৯ এর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ৬৫ দিনের চারা রোপণ করেও ভাল ফলন পাওয়া যায়।    

বোরো মৌসুমের জন্য সংকট তাপমাত্রা

বোরো ধান কাইচথোড় এবং থোড় অবস্থায় নিম্ন তাপমাত্রা সংবেদনশীল। বোরো ধানে চিটা হওয়ার জন্য Agronomic PI ও  Booting এ প্রযোজ্য সংকট নিম্ন তাপমাত্রা হলো ১২-১৩C, সংকট উচ্চ তাপমাত্রা হলো ২৮-২৯C। সংকট তাপমাত্রা এর নীচে বা উপরের তাপমাত্রায় ফলন কমে যায়।    

জলমগ্নতা সহনশীল

ব্রি’র রোপা আমন জাত বিআর-১১, ব্রিধান৩০, ব্রিধান৩১, ব্রিধান৩২ এর মধ্যে ব্রিধান৩২ এর বন্যা সহিষ্ণুতা সবচেয়ে বেশী।

আকস্মিক বন্যা

অধিক আলোক সংবেদী জাতসমূহ  আকস্মিক বন্যায় বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

প্রস্বেদন

প্রস্বেদনের হার কুশি পর্যায়ের চেয়ে ফুল আসা পর্যায়ে সবচেয়ে বেশী। 

ফলনের সাথে হারভেষ্ট ইনডেক্স এবং বায়োমাসের সম্পর্ক

(১) ধানের ফলনের সাথে তার হারভেস্ট ইনডেক্স (HI) এবং বায়োমাস (Biomass production)  এর সর্ম্পক বিদ্যমান

(২) নাবি আমনে বায়োমাস (Biomass production) এর চেয়ে  হারভেস্ট ইনডেক্স (HI) ধানের উচ্চফলনে বেশী অবদান রাখে।    

পাতার আয়তন

 ধান গাছের  LAI কম হওয়া এর উচ্চ ফলনের জন্য অন্তরায়।             

কার্বোহাইড্রেট রিজার্ভ

ধানে কার্বোহাইড্রেট রির্জাভের জন্য  ধান গাছের কান্ড সবচেয়ে বেশী অবদান রাখে।

 মূল বৃদ্ধির যাচাই প্রক্রিয়া

উদ্ভিদের গৌনপুষ্টি  উপাদান Fe, 26 ppm  মাত্রায় প্রয়োগ করলে ধান গাছের মূলের বৃদ্ধি বাধা গ্রস্তহয়।     

পানিরস্বল্পতা

কুশি পর্যায়ের প্রথমদিকে পানির অভাব (Drought stress)  হলে ফলনের তেমন পার্থক্য হয়না। কিন্তু Booting stage এ  পানির অভাব (Drought stress) হলেইন্টার নোডের  বৃদ্ধি ব্যহত হয়, ধানের স্পাইকলেট মরে যায় ও চিটার পরিমাণ বেড়ে যায়। 

বোরো মৌসুমে চারার পুর্নবাসনের  সময় কাল

বোরো মৌসুমে জানুয়ারি মাসে রোপণকৃত চারায় পুর্নবাসন (Recovery) হতে ৪ (চার) সপ্তাহ সময় লাগে।বোরো মৌসুমের রোপণকৃত ধানের জীবনকাল বপনকৃত ধানের চেয়ে বেশী।              

আমন মৌসুমে  ধানের  ফলন ও তাপমাত্রার  সম্পর্ক    

(১)রোপা আমন মৌসুমে প্রজনন পর্যায়ে নিম্ন তাপমাত্রা ২২C হলে ফলন ভাল হয় কিন্তু নিম্ন তাপমাত্রা ২০C নিচে গেলে ফলন ত্যাধিক হারে কমতে থাকে।

(২)আগষ্ট মাসে চারা রোপণ (Transplanting) ও সারিতে বপন (Line sowing) করে ধান চাষ করলে একই ফলন দেয় কিন্তু সেপ্টেম্বর মাসে রোপণ পদ্ধতিতে  (Transplanting) সারিতে বপনের চেয়ে বেশী ফলন পাওয়া যায়।

ক্রপ মডেলিং 

ব্রিউদ্ভাবিত বিভিন্ন ধানের জাতের জেনোটিক কোইফিসিয়েন্ট ডাটা ব্রি’র ক্রপমডেলিং এর কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

আবহাওয়াকেন্দ্র

(১) উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব বিভাগ Manual Weather Station ব্রি প্রধান কার্যালয় ও ৬টি আঞ্চলিক কার্যালয়ের (কুমিল্লা, বরিশাল, রংপুর, রাজশাহী, ভাঙ্গা ও হবিগঞ্জ) আবহাওয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন উপাত্ত সংগ্রহ ও সংরক্ষন করে থাকে যাহা ব্রি’র বিভিন্ন গবেষণা বিভাগ কর্তৃক ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

   (২) উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব বিভাগ ৬টি Automatic Weather Stations (ব্রি প্রধান কার্যালয় ও ৫টি আঞ্চলিক কার্যালয়ের (রংপুর, হবিগঞ্জ, কুমিল্লা, বরিশাল ও ভাঙ্গা) এর মাধ্যমে বিগত ২০১২ সাল হতে বর্তমান সময় পর্যন্ত আবহাওয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন উপাত্ত সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করছে যাহা ব্রি’র বিভিন্ন গবেষণা বিভাগ কতৃক ব্যবহৃত হয়ে আসছে।    

 



Share with :

Facebook Facebook