বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২১st জুন ২০২০

উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের সাফল্য

১। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে প্রতিকূল ও অপ্রতিকূল পরিবেশ উপযোগী উচ্চ ফলনশীল আধুনিক ধানের জাত উদ্ভাবন। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এই পর্যন্ত ১০২ টি (৯৫ টি ইনব্রিড ও ৭ টি হাইব্রিড) উচ্চ ফলনশীল আধুনিক ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে।

তম্মধ্যেঃ

  •  ৪৩ টি জাত বোরো মওসুমের জন্য (বোরো ও আউশ উভয় মওসুম উপযোগী)
  • ২৫ টি জাত বোনা এবং রোপা আউশ মওসুম উপযোগী
  • ৪৫ টি জাত রোপা আমন মওসুম উপযোগী
  • ১২ টি জাত বোরো ও আউশ উভয় মওসুম উপযোগী
  • ১ টি জাত বোরো, আউশ এবং রোপা আমন মওসুম উপযোগী
  • ১টি জাত বোনা আমন মওসুম উপযোগী।

২। উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগ অজৈব ঘাত সহনশীল যেমন লবণাক্ততা, বন্যা, খরা, শৈতপ্রবাহ ইত্যাদি সহনশীল ধানের জাত উদ্ভাবনে যথেষ্ট ভূমিকা পালন করেছে।

৩। অত্র বিভাগ কর্তৃক লবণাক্ততা সহনশীল বোরো মওসুমের জন্য ব্রি ধান৪৭, ব্রি ধান৬১ এবং ব্রি ধান৬৭ আধুনিক ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে যা চারা অবস্থায় ১২-১৪ ডিএস/মি. এবং সম্পূর্ণ জীবনচক্রে ৬-৮ ডিএস/মি. লবণাক্ততা সহনশীল। তাছাড়া, ব্রি ধান৪০, ব্রি ধান৪১, ব্রি ধান৫৩, ব্রি ধান৫৪ এবং ব্রি ধান৭৩ এই জাতগুলো আমন মওসুমে প্রজনন পর্যায়ে ৮ ডিএস/মি. লবণাক্ততা সহনশীল।

৪। তিনটি বন্যা সহনশীল ধানের জাত যথা ব্রি ধান৫১, ব্রি ধান৫২ এবং ব্রি ধান৭৯ উদ্ভাবন করা হয়েছে যা দুই-তিন সপ্তাহ পর্যন্ত বন্যা সহনশীল।

৫। ৪ টি খরা সহনশীল আমন ধানের জাত যথা ব্রি ধান৫৬, ব্রি ধান৫৭, ব্রি ধান৬৬, ব্রি ধান৭১ উদ্ভাবন করা হয়েছে যেগুলো বাংলাদেশের খরাপ্রবণ অঞ্চলের জন্য খুবই উপযোগী।

৬। রোপা আমন মওসুমের জন্য দুটি জিংক সমৃদ্ধ জাত ব্রি ধান৬২ এবং ব্রি ধান৭২ (স্বল্প জীবনকাল) উদ্ভাবন করা হয়েছে যেগুলো যথাক্রমে ২০ এবং ২২.৮ পিপিএম মাত্রার জিংক সমৃদ্ধ, বোরো মৌসুমের জন্য ব্রি ধান৬৪, ব্রি ধান৭৪, ব্রি ধান৮৪ উদ্ভাবন করা হয়েছে যেগুলো যথাক্রমে ২৫.৫,  ২৪.২, ২৭.৬ পিপিএম মাত্রার জিংক সমৃদ্ধ।

৭। ব্রি ধান৫০ যার জনপ্রিয় নাম বাংলামতি (বাসমতীর ন্যায়) এবং ব্রি ধান৬৩ (সরু বালামের ন্যায়), এই দুইটি প্রিমিয়াম বৈশিষ্ট্যের ধানের জাত অনুকূল বোরো মৌসুমের জন্য উপযোগী।

৮। উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগ Marker Assisted Breeding পদ্ধতি প্রয়োগ করে আধুনিক উচ্চ ফলনশীল ধানের জাতসমূহের মধ্যে বিভিন্ন ঘাত যেমন বন্যা, লবণাক্ততা, ঠান্ডা সহনশীল এবং রোগ প্রতিরোধী জিন প্রবেশ করিয়ে ঘাত সহনশীল ধানের জাত উদ্ভাবনে সফলতা লাভ করেছে।

৯। আধুনিক ধানের জাত যেমন বিআর১৭, বিআর১৮, বিআর১৯ হাওড় এলাকার বোরো মওসুমের জন্য অধিক উপযোগী। তাছাড়া বিআর১৮, ব্রি ধান৩৬, ব্রি ধান৫৫ এবং ব্রি ধান৬৯ চারা অবস্থায় ঠান্ডা সহনশীল হওয়ায় ঠান্ডা প্রবণ বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের জন্য উপযোগী।

১০। বিআর২১, বিআর২৪, ব্রি ধান২৭ এবং ব্রি ধান৬৫ বৃষ্টিবহুল এলাকায় বোনা আউশ হিসেবে চাষের উপযোগী। বোনা আউশের জাত ব্রি ধান৬৫-এর ফলন ক্ষমতা ব্রি ধান৪৩ থেকে ০.৫ টন/হে. বেশী। এ জাতটির চারা অবস্থায় আগাছার সাথে প্রতিযোগিতা করে বেড়ে ওঠার ক্ষমতা ব্রি ধান৪৩ থেকে বেশী।

১১। ব্রি ধান৪২, ব্রি ধান৪৩ এবং ব্রি ধান৮৩ খরা-প্রবণ এলাকায় বোনা আউশ হিসেবে চাষের উপযোগী। ব্রি ধান৮৩ বোনা আউশ মওসুমে চারা অবস্থায় মধ্যম মাত্রার খরা সহনশীল ধানের জাত। এ জাতের দানার রং স্থানীয় কটকতারা জাতের মতো লালচে। উপযুক্ত পরিচর্যা পেলে ব্রি ধান৮৩ চাষে হেক্টর প্রতি ৪.০ টন পর্যন্ত ফলন পাওয়া যায়। বিশেষ করে ব্রি ধান৮৩-এর ফলন ব্রি ধান৪৩ এর চেয়ে কমপক্ষে ১.০ টন/হেক্টর বেশী এবং সরাসরি বপনযোগ্য বোনা আউশের জাত বিধায় এ জাতটি চাষ করলে দেশের দক্ষিণ অঞ্চল যেমন নোয়াখালী, ফেণী ও চরাঞ্চলে ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।

১২। বিআর২৬, ব্রি ধান৪৮, ব্রি ধান৫৫ এবং ব্রি ধান৮২ সাধারণ রোপা আউশ এলাকায় চাষের উপযোগী। রোপা আউশ মওসুমের জাত ব্রি ধান৫৫, ব্রি ধান২৭ খেকে ১০ দিন আগাম এবং হেক্টর প্রতি  প্রায় ১ টন ফলন বেশী দেয়। উপযুক্ত পরিচর্যা পেলে ব্রি ধান৫৫ আউশ মৌসুমে ৫.০ টন/হে. ফলন দিতে সক্ষম। ব্রি ধান৮২ NERICA10 থেকে বিশুদ্ধ সারি নির্বাচন পদ্ধতিতে উদ্ভাবিত রোপা আউশ মওসুমের স্বল্প জীবনকালীন ধানের জাত। উপযুক্ত পরিচর্যা পেলে ব্রি ধান৮২ থেকে হেক্টরে ৪.৫-৫.৫ টন পর্যন্ত ফলন পাওয়া যায়। ব্রি ধান৮২-এর জীবনকাল রোপা আউশ মওসুমের ব্রি ধান৪৮ এর চেয়ে ৪-৫ দিন কম। এ জাতটির জীবনকাল স্বল্প মেয়াদী হওয়ায় রোপা আউশ মওসুমে এ ধান আবাদ করার পর আমন ধান আবাদের সুযোগ তৈরী হবে।

১৩। ব্রি ধান২৭ বৃহত্তর বরিশাল অঞ্চলের অপেক্ষাকৃত নিচু জমিতে রোপা আউশ মওসুমে চাষাবাদযোগ্য। রোপা আউশ মওসুমের জনপ্রিয় উচ্চফলনশীল ধানের জাত ব্রি ধান৪৮ যার ফলন ক্ষমতা ৫.৫ টন/হে. এবং গড় জীবনকাল ১১০ দিন। ব্রি ধান৮৫ রোপা আউশ মওসুমে কুমিল্লা অঞ্চলের জন্য উদ্ভাবিত জাত। এ জাতের ফলন ক্ষমতা ৪.৫-৫.৫ টন/হেক্টর। ব্রি ধান৮৫ কিছুটা জলাবদ্ধতা সহনশীল হওয়ায় এ জাতটি আউশ মওসুমে অপেক্ষাকৃত নিচু এলাকাতে বিশেষতঃ কুমিল্লা অঞ্চলসহ দেশের পূর্বাঞ্চলে চাষাবাদের জন্য।

১৪। আলোক-সংবেদনশীল বিআর২২, বিআর২৩ এবং ব্রি ধান৪৬ নাবী রোপা আমন মওসুমে বন্যার পানি চলে যাওয়ার পর এই জাতগুলো অধিক উপযোগী।

১৫। রোপা আমন মওসুমের অলবণাক্ত জোয়ার-ভাটা অঞ্চলের জন্য ব্রি ধান৪৪, ব্রি ধান৫২, ব্রি ধান৭৬ এবং ব্রি ধান৭৭ উদ্ভাবন করা হয়েছে।

১৬। বিআর২৫, ব্রি ধান৩২, ব্রি ধান৩৩, ব্রি ধান৩৯, ব্রি ধান৭৫ জাতগুলোতে আলোক-সংবেদনশীলতা নেই। আলোক-সংবেদনশীলতা না থাকার জন্য এ জাতগুলো কৃষক তার ইচ্ছামতো যেদিন ফসল কাটতে ইচ্ছুক সেদিনেই তা পারেন। ব্রি ধান৭৫ রোপা আমন মওসুমের উচ্চ ফলনশীল আগাম ধানের জাত এবং এর গড় ফলন ৫.০ টন/হে.।  ব্রি ধান৭৫-এর ভাত রান্না করলে হালকা সুগন্ধ পাওয়া যায়।

১৭। বৃষ্টি নির্ভর নিম্নভূমি অঞ্চলের জন্য বিআর১০, ব্রি ধান৩০ এবং ব্রি ধান৩১ উদ্ভাবন করা হয়েছে। এ জাতগুলো স্বল্প আলোক-সংবেদনশীল এবং ফলন ক্ষমতা হেক্টরপ্রতি ৫.০-৬.০ টন। এছাড়া বিআর১০, বিআর২৩ এবং ব্রি ধান৩০ জাতগুলো বাংলাদেশের দক্ষিনাঞ্চলের জলাবদ্ধ অঞ্চলের জন্য অধিক উপযোগী।

১৮। রোপা আমন মওসুমের নাজিরশাইলের ন্যায় দানা বিশিষ্ট জাত ব্রি ধান৪৯, যা বিআর১১ এর তুলনায় এক সপ্তাহ আগাম এবং ফলন ক্ষমতা ৫.৫ টন/হে.।

১৯। ব্রি ধান৫৫ মধ্যম মাত্রার ঠান্ডা, লবণাক্ততা ও খরা সহিষ্ণু। বোরো মওসুমে যেখানে মধ্যম মানের লবনাক্ততা (৮-১০ ডিএস/মি), খরা এবং ঠান্ডা সমস্যা দেখা যায় সেখানেও এ জাতটি আবাদের জন্য উপযুক্ত। এ ধানের জাতটি বোরো মওসুমে ব্রি ধান২৮ খেকে ৫ দিন নাবী এবং হেক্টর প্রতি  প্রায় ১ টন ফলন বেশী দেয়।

২০। বোরো মওসুমের জন্য উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত ব্রি ধান৫৮, ব্রি ধান৫৯ এবং ব্রি ধান৬০ উদ্ভাবন করা হয়েছে। ব্রি ধান৫৮ সর্বপ্রথম জাত যা ব্রি ধান২৯ হতে টিস্যু কালচার পদ্ধতিতে উদ্ভাবন করা হয়েছে। এটি বোরো মওসুমের জাত যা ব্রি ধান২৯-এর চেয়ে ৭-১০ দিন আগাম কিন্তু ব্রি ধান২৮-এর চেয়ে এক সপ্তাহ নাবী। জীবন কাল ১৫০-১৫৫ দিন। ফলন ক্ষমতা ৭.০-৮.০ টন/হে.। আলু কাটার পরে নাবী বোরো এবং দক্ষিণাঞ্চলের ঘেরের মধ্যে চাষে বিশেষ উপযোগী।

২১। ব্রি ধান৫৯ এবং ব্রি ধান৬০ দুটি আধুনিক ধানের জাতের জীবনকাল ব্রি ধান২৮ এবং ব্রি ধান২৯ এর মাঝামাঝি এবং ফলন ক্ষমতা ৭.১-৭.৩ টন/হে.। উলেস্নখ্য যে, ব্রি ধান৬০ এর দানার আকার অতিরিক্ত লম্বা ও চিকন।

২২। ব্রি ধান৬৮ অনুকূল বোরো মওসুমের জন্য উদ্ভাবন করা হয়েছে যার চাল মাঝারি মোটা, হেলে পড়া সহনশীল এবং ব্রি ধান২৮ এর চেয়ে ১৩% অধিক ফলন দেয় কিন্তু এটা ব্রি ধান২৮ এর চেয়ে এক সপ্তাহ বেশি জীবনকাল সম্পন্ন। ব্রি ধান৬৯ উপকরণ সাশ্রয়ী বোরো মওসুমের উচ্চ ফলনশীল জাত যা ৭.০ টনের অধিক ফলন দেয়। উল্লেখ্য যে, ব্রি ধান৬৯ প্রজনন পর্যায়ে মাঝারি মানের ঠান্ডা সহ্য করতে পারে।

২৩। ব্রি ধান৭০ এবং ব্রি ধান৮০ লম্বা চিকন সুগন্ধি ধানের জাত যা রোপা আমন মওসুমের জন্য স্বল্প জীবনকাল বিশিষ্ট (১৩০ দিন) এবং ফলন ক্ষমতা ৫.০ টন/হেক্টর ।

২৪। ব্রি ধান৭৮ আমন মওসুমের উপযোগী বন্যা ও লবণাক্ততা সহনশীল ধানের জাত। এটির জীবন কাল ১৩৩ থেকে ১৩৬ দিন, ফলন ক্ষমতা ৫.৫ থেকে ৬.০ টন/হে.।

২৫। ব্রি ধান৮১ জাতের জীবনকাল ১৪০-১৪৫ দিন এবং ফলন ক্ষমতা হেক্টরে ৬.০-৬.৫টন। উচ্চমাত্রার প্রোটিন সমৃদ্ধ (১০.৩%) এ জাতটি সুগন্ধ ব্যতীত প্রিমিয়াম কোয়ালিটি ধানের সকল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। চালের আকার ও আকৃতি বাসমতির মত লম্বা ও চিকন থাকায় বিদেশে রপ্তানীযোগ্য। এছাড়া চালের আকৃতি জিরার ধানের মতো বিধায় জাতটি দেশীয় বাজারে জিরা ধানের বিকল্প হিসাবে গ্রহণযোগ্যতা পাবে। ব্রি ধান৮৮ জাতের জীবন কাল ১৪০-১৪৩ দিন এবং ফলন ক্ষমতা ৭.০ টন/হে.। স্বল্প জীবনকাল সম্পন্ন বোরো ধানের জাত হিসেবে বিশেষভাবে উপযোগী।

২৬। ব্রি ধান৯০ রোপা আসন মওসুমের উচ্চ ফলনশীল প্রিমিয়াম কোয়ালিটি আধুনিক ধানের জাত। এ জাতের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ধানের দানার আকার-আকৃতি ব্রি ধান৩৪ এর মতো। এ জাতের গড় ফলন ৫.০ টন এবং গড় জীবন কাল ১২২ দিন। ব্রি ধান৯০ এর জীবনকাল ব্রি ধান৩৪ এর  চাইতে ২১ দিন আগাম এবং ফলন প্রায় ১.০-১.৪ টন/হে. বেশি। এ জাতের চাল থেকে উন্নতমানের পোলাউ, পায়েস রান্না করা যায়।

২৭। ব্রি ধান৯১ জলি আমন ধানের জাত ও অগভীর পানিতে চাষের উপযোগী। এ জাতটি মাঝারি আলোক-সংবেদনশীল। গড় জীবন কাল ১৫৬ দিন। স্থানীয় জলি আমন ধানের জাতের চেয়ে ১০-১৫ দিন আগাম। এ জাতটির গড় ফলন ৩.০ টন/হে.। এ জাতটি ১ মিটার উচ্চতার গভীর পানির বন্যা অঞ্চলের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী।

২৮। ব্রি ধান৯৩ ও ব্রি ধান৯৪ রোপা আমন মওসুমের উচ্চ ফলনশীল ১৩৪ দিনের মাঝারি জীবনকাল সম্পন্ন ধানের জাত। এ জাত দুইটির গড় ফলন ৫.৮ টন/হে.। ব্রি ধান৯৫ রোপা আমন মৌসুমের উচ্চ ফলনশীল ১২৫ দিন জীবনকাল সম্পন্ন আগাম ধানের জাত। গড় ফলন ৫.৭ টন/হে.। ব্রি ধান৯৩, ব্রি ধান৯৪ এবং ব্রি ধান৯৫ জাতগুলো উচ্চ ফলনশীল এবং স্বর্ণা জাতের ন্যায় গুণাগুণ এবং অভিযোজন ক্ষমতা সম্পন্ন হওয়ায় ভারতীয় স্বর্ণা জাতের বিকল্প হিসাবে চাষাবাদযোগ্য।

২৯। অত্র বিভাগের বিজ্ঞানীগণ দক্ষ জনসম্পদ তৈরির অংশ হিসেবে মাস্টার্স ও পিএইচডি ছাত্র-ছাত্রীদের সুপারভাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং আধুনিক ধানের জাত ও প্রজনন পদ্ধতির বিষয়ে ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ, কৃষকগণ, NARS এবং বিদেশী বিজ্ঞানীবৃন্দ, সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এবং NGO কর্মীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করেছেন।

৩০। অত্র বিভাগ কর্তৃক বৈজ্ঞানিক গবেষণাপত্র, বার্ষিক প্রতিবেদন, গবেষণা পুস্তিকা, অবমুক্ত জাতসমূহের লিফলেট ও বুলেটিন প্রকাশ করা হয়েছে।



Share with :

Facebook Facebook